Naushad Siddique: সামনেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। এই আবহে অবিলম্বে বামফ্রন্ট, কংগ্রেস ও আইএসএফের জোট গঠনের দাবি জানালেন ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট (ISF)-এর চেয়ারম্যান নওশাদ সিদ্দিকী।
আসন্ন ভোটের আগে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিলেন ISF প্রধান ও ভাঙড়ের বিধায়ক Naushad Siddique। রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন ফেলে তিনি দাবি করেছেন, বাংলায় বিজেপিকে রুখে দিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসকে পরাস্ত করার জন্য একটি সুস্পষ্ট রাজনৈতিক ব্লুপ্রিন্ট তৈরি রয়েছে ISF-এর হাতে। তাঁর এই ঘোষণাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।
ভোটের আগে Naushad Siddique-এর কৌশল কী?
Naushad Siddique-এর বক্তব্য অনুযায়ী, রাজ্যের সংখ্যালঘু, বঞ্চিত ও প্রান্তিক ভোটব্যাঙ্ককে একত্রিত করাই ISF-এর মূল লক্ষ্য। তিনি মনে করছেন, এই ভোটব্যাঙ্ক সঠিকভাবে সংগঠিত হলে একদিকে যেমন বিজেপির বিস্তার রুখে দেওয়া সম্ভব হবে, তেমনই অন্যদিকে তৃণমূলের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক আধিপত্যেও বড় ধাক্কা দেওয়া যাবে।
ISF-এর রাজনৈতিক ব্লুপ্রিন্টে কী রয়েছে?
রাজনৈতিক সূত্রের খবর অনুযায়ী, ISF প্রধানের পরিকল্পনায় রয়েছে—
-
সংখ্যালঘু ও পিছিয়ে পড়া শ্রেণির ভোট একত্রিত করা
-
স্থানীয় ইস্যু ও জনসংযোগকে সামনে রেখে প্রচার
-
বিজেপির বিরুদ্ধে সরাসরি লড়াইয়ের পাশাপাশি তৃণমূলের বিকল্প শক্তি হিসেবে নিজেদের তুলে ধরা
-
জোট রাজনীতির সম্ভাবনা খোলা রাখা
এই কৌশলের মাধ্যমে ISF নিজেকে রাজ্যের তৃতীয় শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছে বলে মনে করা হচ্ছে।
তৃণমূল ও বিজেপিকে একসঙ্গে চ্যালেঞ্জ
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, Naushad Siddique-এর এই ঘোষণায় স্পষ্ট যে ISF এবার আর শুধুমাত্র প্রতিবাদী কণ্ঠে সীমাবদ্ধ থাকতে চায় না। বরং রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এবং প্রধান বিরোধী বিজেপি—উভয়ের বিরুদ্ধেই সরাসরি রাজনৈতিক লড়াইয়ের রাস্তায় হাঁটতে প্রস্তুত ISF।
বাংলার রাজনীতিতে কতটা প্রভাব ফেলতে পারে ISF?
ভাঙড় কেন্দ্র থেকে জয়ের পর থেকেই Naushad Siddique রাজ্য রাজনীতিতে একটি পরিচিত মুখ হয়ে উঠেছেন। তাঁর জনপ্রিয়তা ও বক্তব্য সংখ্যালঘু ভোটারদের মধ্যে প্রভাব ফেলতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তবে এই ‘বিরাট খেলা’ বাস্তবে কতটা সফল হয়, তা নির্ভর করবে ভোটের অঙ্ক ও মাঠের রাজনীতির উপর।
উপসংহার
সব মিলিয়ে, ভোটের আগে Naushad Siddique-এর ঘোষিত রাজনৈতিক ব্লুপ্রিন্ট পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। বিজেপিকে রুখে তৃণমূলকে পরাস্ত করার এই পরিকল্পনা বাস্তবে কতটা কার্যকর হয়, সেদিকেই এখন নজর রাজ্যবাসীর।

0 মন্তব্যসমূহ